বাকৃবিতে অবসরপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারবর্গের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

যথাযথ মর্যাদা, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কমপ্লেক্সে ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭.০০টায় অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারবর্গের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আয়োজনে গৃহীত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড.শহিদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ'র সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো: রফিকুল ইসলাম সরদার , হাওর ও চর গবেষণা ইন্সটিটিউট এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো: আবুল কালাম আজাদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য প্রফেসর ড.মাহবুবা জামান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান প্রফেসর ড. আরিফুল ইসলাম প্রেসিডেন্ট সিকিউরিটি কাউন্সিল, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য প্রফেসর ড. মো: মকবুল হোসেন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান প্রফেসর ড. বাহানুর রহমান ,ডীন ভেটেরিনারি অনুষদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম(অবসরপ্রাপ্ত) এবং অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ বুদ্ধিজীবী প্রফেসর ড. এ.বি.এম. আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়ার বড়সন্তান এবং ভাইস-চ্যান্সেলর এর সহধর্মিণী দিলরুবা আশরাফ আবেগঘন বক্তব্য রাখেন।সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো: শহিদুল হক বলেন যে মুক্তিযোদ্ধা তাদের জীবনের বিনিময়ে আমাদের একটা দেশ দিয়ে আমাদের ঋণী করেছেন। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তি যোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ১৯৭১ এর চেতনা আমাদের সবাইকে লালন করার পরামর্শ দেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরতে সকলের প্রতি আহবান রাখেন এবং একইসাথে ২০২৪ সনের জুলাই-আগস্টের গণ অভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখার জন্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার উপদেশ এছাড়াও তিনি ভবিষ্যতে এধরণের মহতী অনুষ্ঠান আরো বড় পরিসরে আয়োজনের পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠান শেষে ভাইস-চ্যান্সেলর শহীদ বুদ্ধিজীবি পরিবারের মিসেস রাজিয়া আশরাফ ভূঁইয়া, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামসহ অন্যান্য পরিবারবর্গের মাঝে স্মারক উপহার প্রদান করেন।


উল্লেখ্য যে উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার(ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. মো: হেলাল উদ্দিন, ট্রেজারার(ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো: হুমায়ুন কবির, কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মো: সামছুল আলম,বাউরেস পরিচালক প্রফেসর ড. মো: হাম্মাদুর রহমান,প্রফেসর ড. মো: আব্দুল বাতেন,পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. মো: মোশাররফ উদ্দীন ভূঞা , প্রক্টর প্রফেসর ড. মো: আবদুল আলীম,প্রফেসর ড. আহমদ খায়রুল হাসান অন্যান্য আমন্ত্রিত শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পরিবারবর্গ উপস্থিত ছিলেন।