logo

Bangladesh Agricultural University (BAU)

নববর্ষে নানা আয়োজনে বর্ণিল বাকৃবি বৈশাখী চত্বর

বাংলা ভাষাভাষীদের সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক উৎসব পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশাখী চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পর্যায়ের লোকজনের অংশগ্রহণে নানান বর্ণিল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ পালিত হয়েছে। আজ পহেলা বৈশাখ ১৪৩২(১৪ এপ্রিল ২০২৫) দিনের শুরুতেই সকাল ৭.৩০ টায় জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আয়োজনে কে.আর. মার্কেট হতে বৈশাখী চত্বর পর্যন্ত বৈশাখী আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ছোট ছোট বাচ্চারা নানান সাজে অংশগ্রহণ করে। সকাল ৮.০০টায় বৈশাখী চত্বরে উদ্বোধনী ভাষণ দেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফসর ড. মো: রফিকুল ইসলাম সরদার এবং জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো: শহীদুল হক। ভাইস-চ্যান্সেলর তার উদ্বোধনী ভাষণে বলেন, আবহমান বাংলার ঐতিহ্য পহেলা বৈশাখ আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। নদী মাতৃক এই বাংলাদেশে নানান কারণে নদীর নাব্যতা আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। চৈত্র সংক্রান্তি শেষে এই বৈশাখেই নতুন ফসল কাটা এবং গ্রামবাংলায় ঐতিহ্যবাহি লাঠি খেলাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন হতো, ব্যবসায়ীরা হালখাতার আয়োজন করতেন। এগুলো আজ বিলুপ্তির পথে। চৈত্রের খরতাপ শেষে বৈশাখ আসে শান্তির বারতা নিয়ে। মুঘল সম্রাটদের সময়কাল থেকেই পহেলা বৈশাখের আনুষ্ঠানিকতার প্রচলন হয়।
১৪৩২ বঙ্গাব্দ সকলের জীবনে সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি বয়ে আনুক এই কামনা করি। এছাড়া দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মাঝে ছিল, সকাল ৮.৩০টায় শিশু কিশোর কাউন্সিল, মহিলা সংঘ, সংগীত সংঘ ও সাহিত্য সংঘের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো: আসাদুজ্জামান সরকার এবং জাতীয় দিবস উদ্যাপন কমিটির সদস্য-সচিব ও সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ'র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়। এছাড়াও সকাল ১০.০০ টায়, শিশু কিশোর কাউন্সিল কর্তৃক শিশুদের হাতের লেখা প্রতিযোগীতা এবং ১০.৩০টায় মহিলা সংঘের বালিশ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১২.০০টায় বৈশাখী চত্বরে জাতীয় উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ডঃ মোঃ শহীদুল হক বিভিন্ন ইভেন্টের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

Publish Date: 14 Apr, 2025