বাকৃবিতে 'Best Practices for Turnitin Implementation in Teaching, Learning and Research at Bangladesh Agricultural University' শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) শিক্ষা, শিখন ও গবেষণার মানোন্নয়নে প্লাজিয়ারিজম প্রতিরোধক সফটওয়্যার 'টার্নইটিন' (Turnitin) এর কার্যকর, দায়িত্বশীল ও নীতিগত ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক কর্মশালা আজ ৪ আগস্ট ২০২৬(মঙ্গলবার) সকাল ১১.০০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটি কার্যালয়’ -এর উদ্যোগে সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে "Best Practices for Turnitin Implementation in Teaching, Learning and Research at Bangladesh Agricultural University" শীর্ষক এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও সম্মানিত সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ বাহানুর রহমান এবং ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শহীদুল হক।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো- অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মোঃ সামছুল আলম এবং সঞ্চালনায় ছিলেন অতিরিক্ত পরিচালক ড. ফারজানা দিবা।
মুখ্য আলোচক হিসেবে কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ রোস্তম আলী এবং রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন প্রফেসর ড. মো: সালাউদ্দিন পলাশ।
কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক সততা সুদৃঢ় করা, শিক্ষাদান ও গবেষণার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং টার্নইটিন সফটওয়্যারটি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা উচ্চশিক্ষায় একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে কার্যকর কৌশল ও নীতি অনুসরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, এ কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদন (রিপোর্টিং) আরও কার্যকর ও মানসম্মত করতে সফটওয়্যারের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, এই সফটওয়্যারের কার্যকর ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, নির্ভুল ও ফলপ্রসূ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি শিক্ষা ও গবেষণার সামগ্রিক গুণগত মান উন্নয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।
উল্লেখ্য, দিনব্যাপী এ কর্মশালায় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর, বিভিন্ন ইন্সটিটিউট/শাখার প্রধানবৃন্দসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।