বাকৃবিতে কৃষি গ্রাজুয়েটদের মান উন্নয়নে জিআইএস এন্ড রিমোট সেন্সিং বিষয়ক অ্যাডভান্স ট্রেনিং প্রোগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠিত

কৃষি শিক্ষার রূপান্তর এবং কৃষি গ্রাজুয়েটদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অনুষদের উদ্যোগে এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (UGC) সহায়তায় 'Transformation of Agricultural Education for Enhancing Quality of Agriculture Graduates' শীর্ষক ‘অ্যাডভান্স লেভেল অফ জিআইএস এন্ড রিমোট সেন্সিং’ বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।হিট (HEAT) প্রকল্পের আওতায় ৮ অক্টোবর, ২০২৬ মঙ্গলবার বাকৃবি-র এগ্রোমেটিওরোলোজি বিভাগের 'স্ট্যাটিস্টিক্যাল, জিআইএস অ্যান্ড ক্রপ মডেলিং ল্যাবে এই সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জি এম মুজিবর রহমান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবুল হাশেম।
হিট (HEAT) প্রকল্পের সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার (SPM) প্রফেসর ড. মাসুম আহমদ এর সভাপতিত্বে এবং সহকারী প্রফেসর উম্মে সুমাইয়া শাম্মী'র সঞ্চালনায় শুরুতে প্রশিক্ষণ সমাপ্তকারীদের পক্ষ থেকে প্রফেসর ড. কাজী কামরুল ইসলাম এবং লেকচারার সাদিয়া ইসলাম শম্পা তাদের অনুভুতি প্রকাশ করেন।
বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. মো: আবুল হাশেম বলেন যে বর্তমান সময়ে এটি খুবই প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে Geographic Information System এবং Remote Sensingএর মত অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে কৃষি গ্রাজুয়েটদের উন্নত ধারণা ও প্রায়োগিক জ্ঞান থাকা খুবই প্রয়োজন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. জি. এম. মুজিবর রহমান বলেন, প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা যথেষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তবে এই অর্জিত জ্ঞান ও প্রযুক্তি বাস্তবে কাজে লাগানো না হলে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য পূরণ হবে না। তিনি অংশগ্রহণকারীদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অর্জিত প্রযুক্তি কীভাবে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যায়, সে বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজারসহ প্রশিক্ষণের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবার সাফল্য কামনা করেন।
সভাপতি প্রফেসর ড. মাসুম আহমাদ বলেন যে সামাজিক নিরাপত্তা, নগরায়ন, শস্য উৎপাদন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, সামুদ্রিক খনিজ উত্তোলন, রোগ-বালাই ব্যবস্হাপনা ইত্যাদি যে কোন ক্ষেএে নির্ভুল তথ্য প্রকাশে জিআইএস এবং রিমোর্ট সেন্সিং এর কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্য এবং গ্রহণীয়।এই জ্ঞান কাজে লাগিয়ে অংশগ্রহণকারীরা আধুনিক কৃষির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, ৩রা অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ৬ দিনব্যাপী পরিচালিত উক্ত প্রশিক্ষণে বাকৃবির সর্বমোট ২০ জন বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে প্রশংসাপত্র তুলে দেয়া হয়।