বাকৃবিতে আয়োডিনযুক্ত লবণ ফর্টিফিকেশন ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ বলেন, “আয়োডিনযুক্ত লবণ মানুষের পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আয়োডিনের ঘাটতিজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় দেশে উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত লবণে যথাযথ মাত্রায় আয়োডিন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকারি প্রতিষ্ঠান, লবণ শিল্প এবং গবেষণা ও একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে নিরাপদ ও মানসম্মত আয়োডিনযুক্ত লবণ নিশ্চিত করা সম্ভব।
প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা নিরাপদ ও মানসম্মত আয়োডিনযুক্ত লবণ নিশ্চিত করতে উৎপাদন, প্যাকেজিং, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাত করণের প্রতিটি পর্যায়ে যথাযথ গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে উপর গুরুত্ব আরোপের পাশাপাশি নিয়মিত পরিদর্শন, সঠিক নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষণ এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়ার আহবান জানান। এই প্রশিক্ষণ বাংলাদেশে আয়োডিনযুক্ত লবণের মান নিশ্চিতকরণ, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের Centre for Food Fortification, Quality and Safety (CFQS)-এর উদ্যোগে এবং Global Alliance for Improved Nutrition (GAIN)-এর সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এই প্রশিক্ষণে বিসিকের সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে লবণ আয়োডিনযুক্তকরণের মৌলিক ধারণা, ফর্টিফিকেশন প্রক্রিয়া, আয়োডিনের মাত্রা নির্ধারণ, নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষণ পদ্ধতি, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ ও নিশ্চয়তা, শিল্প পর্যায়ে মান বজায় রাখা এবং লবণ আয়োডিনযুক্তকরণের অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্বসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক সেশন অনুষ্ঠিত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গুলজারুল আজিজ আশা প্রকাশ করেন যে, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মাঠপর্যায়ে লবণ ফর্টিফিকেশন কার্যক্রমের তদারকি ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে আরও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।